করোনার বাজারে গরম ওষুধের বাজার ৩৫০০টাকার অ্যান্টিভাইরাল বাজারে অানল গ্লিনমার্ক

0
34

সাতদিন ডেস্কঃ করোনার অাতঙ্ক যত বাড়ছে তত বাড়ছে একে নিয়ে ব্যবসা। মাস্ক , স্যানিটাইজার ,সাবান তো ছিল এখন এদেশের বাজারে একের পর এক অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ করোনা চিকিত্সায় অনুমোদন পাচ্ছে। জাপানে ইনফ্লুয়েঞ্জার চিকিত্সায় ব্যবহৃত এ রকমই এক অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ফেভিপিরাভির ভারতের বাজারে বিক্রি ও উত্পাদনের জন্য অনমোদম পেল গ্লিনামার্ক । নাম  ফ্যাবিফ্লু। অনুমোদন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জানা যাচ্ছে  কয়েকদিনের মধ্যে নাকি দোকানেও মিলবে এই ওষুধ। গ্লিনমার্কের দাবি অল্প ও মাঝারি কোভিড১৯ অাক্রান্ত রোগির চিকিত্সার ক্ষেত্রে সুফল মিলেছে এই ওষুধে। নিউজ এইটিনের রিপোর্ট অনুযায়ী গ্লিনমার্কের দাবি তাদের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের রিপোর্ট অনুযায়ী ৮৮ শতাংশ অল্প ও মাঝারি করোনা অাক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে সুস্থতার সময় ৪দিন পর্যন্ত কম হয়েছে। প্রতিটি ট্যাবলেটের দাম ১০৩ টাকা হলেও পুরো প্যাকটি ৩৪টি ট্যাবলেটের। দাম  ৩৫০০ টাকা।

করোনা চিকিত্সায় নির্দিষ্ট কোন ওষুধ এখনও পর্যন্ত নেই। পুরোনা অ্যান্টি ভাইরাল কিছু ওষুধ করোনায় সুফল পাওয়া গেছে বলে দাবি করছে বহুজাতিক কোম্পানিগুলি। অার এই সুযোগে ভারতের মত বড় বাজারে দাও মারতে নেমে পড়েছে তারা। রবিবারই ওষুধ সংস্থা হেটরো জানিয়েছে তারা ভারতের বাজারে নিয়ে এসেছে রেমডেসিভির জেনেরিক সংস্করণ কোভিপর। যার প্রতি ডোজের দাম ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। অন্তত ৫টি ডোজ লাগবে কোভিড রোগীর। ফলে এক ধাক্কায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা লুটে নেওয়া হবে করোনা রোগীর পরিবার থেকে। প্রতিদিন এখনই ১৫ হাজার রোগী অাক্রান্ত হচ্ছেন। যার ৮০ শতাংশই স্বল্প বা মাঝারি ধরনের। তাহলে বাজারটা কত বড় তা সহজেই অনুমেয়।

এদেশে স্বাস্থ্যখাতে সরকার টাকা না খরচ করতে চাওয়ায় কী বেহাল অবস্থা তা করোনা জেরে ফের সামনে এসে পড়েছে। অার এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মুনাফা লুটতে নেমে পড়েছে বেসরকারি হাসপাতাল ও ওষুধ সংস্থাগুলি।করোনা পরবর্তী সময় সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর দাবিতে মানুষ সরব হতেই হবে।