করোনা চিকিত্সায় এদেশে অনুমোদন পেল রেমডেসিভির, দাম হতে পারে ৩৫ হাজার টাকা!

0
25

সাতদিন ডেস্কঃ প্রতিদিন বাড়ছে করোনা অাতঙ্ক । অার তা নিয়ে বাড়ছে ব্যবসাও। এদেশে বেসরকারি সংস্থায় টেস্ট থেকে শুরু করে বেসরকারি হাসপাতালের বেডের ভাড়া লাগাম  লাগামছাড়া । বেসরকারি হাসপাতালে অাইসিইউ এর ভাড়া দৈনিক ৪০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। কোথাও করোনার RTPCR টেস্টের জন্য নিচ্ছে ২২০০ টাকা কোথাও বা ২৮০০ টাকা।  দেশের সবর্ত্র সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণের নীতি লক্ষ করা যাচ্ছে না। এরই মধ্যে করোনা চিকিত্সায় এদেশে ছাড়পত্র পেয়েছে মার্কিন কোম্পানি গিলেডের ওষুধ রেমডেসিভির। এমাসের শেষের দিকে এদেশের বাজারে মিলবে ওষুধটি। এখন বাংলাদেশ থেকে অামদানি করতে হয়।  সূত্রের খবর প্রতি ডোজের দাম  প্রায় ৬৫ ডলার। ক্রমশ ভারতেই তৈরি হবে এই ওষুধ। এরজন্য মার্কিন সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সিপলা, হেটেরো সহ বেশ কয়েকটি কোম্পানি।

এই অতিমারির সময় এই  ওষুধটির দাম কত এই নিয়ে কৌতূহল অাছে অনেকের মনে। নিশ্চিত করে বলা না গেলে ইকোনমিক্স টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী হেটেরো নাকি ৭ হাজার টাকা করে একটি ডোজের দাম নির্দিষ্ট করেছে। যদিও এটা স্পষ্ট নয় এটাই সব থেকে কম দাম কিনা। যদি এটাই সব থেকে কম দাম হয় তাহলে রোগীকে ৫টি ডোজ দিতে লাগতে পারে ৩৫ হাজার টাকা। অতিমারির সময় একে লুট ছাড়া অন্য কিছু বলা যায় কি?

কয়েকদিন অাগে ব্রিটেনে গবেষণায় উঠে এসেছে সস্তার ওষুধ ডেক্সামেথাসনের ব্যবহারে সঙ্কটাপন্ন ৩৫ শতাংশ রোগীকে বাঁচান সম্ভব। এর পরই অতি দ্রুত ব্রিটেনে করোনায় অাক্রান্ত সঙ্কটাপন্ন রোগীদের জন্য ওই ওষুধ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে সেদেশের স্বাস্থ্য দফতর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও অাশাবাদী। অথচ ভারতের  তরফে এই নিয়ে কোন প্রতিক্রিয়া এখনও লক্ষ করা যাচ্ছে না। এর মাঝেই মার্কিন ওষুধ সংস্থা গিলেডের ওষুধ রেমডেসিভিরকে করোনা চিকিত্সায় ব্যবহারের অনুমোদন দিল ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল।