ভারতে তৈরি রেমডেসিভিরের জেনেরিক ওষুধ কভিফরের দাম লুট ছাড়া কিছু নয়

0
92

সাতদিন ডেস্কঃ প্রতিদিন বাড়ছে করোনা অাতঙ্ক । অার তা নিয়ে বাড়ছে ব্যবসাও। এরই মধ্যে রবিবার এদেশে রেমডেসিভিরের এর জেনেরিক কভিফর বাজারে অানার কথা ঘোষণা করল  হেটরো।  সংস্থার হায়দরাবাদের কারখানায় তৈরি হচ্ছে ওষুধটি। কিছুদিন অাগে এদেশে  উত্পাদন বিক্রি ও চিকিত্সায় ব্যবহারের  ছাড়পত্র পেয়েছে মার্কিন কোম্পানি গিলেডের ওষুধ রেমডেসিভির। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী ইতিমধ্যেই উত্পাদন শুরু করে দিয়েছে হেটরো। কয়েকদিনের মধ্যে কোভিড হাসপাতালগুলিতে মিলবে কভিফর। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী একটি ভায়েলের দাম হতে পারে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা।

এই অতিমারির সময় এই  ওষুধটির দাম যদি বাস্তবেই ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা হয় তাহলে করোনা অাক্রান্ত রোগীকে ৫টি ডোজ দিতে লাগতে পারে ২৫ থেকে ৩০ হাজার হাজার টাকা। অতিমারির সময় একে লুট ছাড়া অন্য কিছু বলা যায় কি?ওষুধটি বাজারে অাসতে চলেছে এই খবর বেশ কিছুদিন ধরেই রয়েছে। এই চড়া দামে যে ওষুধটি বাজারে অাসতে চলেছে তাও জানা। অথচ সরকার সব জেনে চোখ বন্ধ করে রেখেছে। এক লপ্তে বিপুল মুনাফা করে নেওয়ার পর সরকার লোক দেখান নিয়ন্ত্রণের পথে হয়তো হাঁটবে। তবে ততক্ষণে অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘটিবাটি চটি হয়ে যাবে।

কয়েকদিন অাগে ব্রিটেনে গবেষণায় উঠে এসেছে সস্তার ওষুধ ডেক্সামেথাসনের ব্যবহারে সঙ্কটাপন্ন ৩৫ শতাংশ রোগীকে বাঁচান সম্ভব। এর পরই অতি দ্রুত ব্রিটেনে করোনায় অাক্রান্ত সঙ্কটাপন্ন রোগীদের জন্য ওই ওষুধ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে সেদেশের স্বাস্থ্য দফতর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও অাশাবাদী। অথচ ভারতের  তরফে এই নিয়ে কোন প্রতিক্রিয়া এখনও লক্ষ করা যাচ্ছে না। এর মাঝেই মার্কিন ওষুধ সংস্থা গিলেডের ওষুধ রেমডেসিভিরকে করোনা চিকিত্সায় ব্যবহারের অনুমোদন দিল ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল।