কেন্দ্রের নতুন শিক্ষানীতিতে রাজ্যের গুরুত্ব কি হ্রাস করা হচ্ছে? ৫ম পর্যন্ত মাতৃভাষায় শিক্ষা বাধ্যতামূলক

0
45

সাতদিন ডেস্কঃ নতুন শিক্ষানীতিতে সিলমোহর দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ১০+২ কাঠামোর পরিবর্তে নতুন নীতিতে ৫+৩ +৩ +৪ পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে। ১২ বছরের স্কুল জীবন। অার ৩ বছরের অঙ্গনবাড়িতে কাটাবে শিশু। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সকল পড়ুয়াকে হয় মাতৃভাষা নয়তো অাঞ্চলিক ভাষার মাধ্যমে শিক্ষা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবছর পরীক্ষার পরিবর্তে  তৃতীয় পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে পরীক্ষা বসতে হবে পড়ুয়াদের। দশম ও দ্বাদশের বোর্ডের পরীক্ষা হবে । তবে এখানে বদল হবে কিছুটা।

নতুন শিক্ষানীতিতে এন্ট্রি ও এক্সিট পদ্ধতি চালু থাকবে। কেউ যদি স্নাতক স্তরে একবছর  বা ২ বছর পরার পর অার পড়াশুনো চালাতে পারল না তাহলে তাঁকে পরে পরবর্তী সময় কোর্স শেষ করার সুযোগ দেওয়া হবে। প্রতি বছর শেষ করার পর তাঁকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। প্রথম বছরের শেষে সার্টিফিকেট, দ্বিতীয় বছরের পর ডিপ্লোমা ও তৃতীয় বছরের পর ডিগ্রি। নতুন নিয়মে অঙ্কের সঙ্গে সঙ্গীতকে বিষয় হিসাবে বাছতে পারবে বলে জানান হয়েছে। এই নতুন শিক্ষানীতিতে কি শিক্ষায় সরকারি  ব্যয় বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে? সরকারের তরফে জানান হয়েছে বর্তমান জাতীয় অায়ের ৪ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয় করা হয়ে থাকে, রাজ্যগুলির সঙ্গে কথা বলে কেন্দ্র তা ৬ শতাংশ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা সচিব অমিত খেরে।

কেন্দ্রের তরফে জানান হয়েছে ৩৪ বছর পর নতুন শিক্ষানীতি তারা গ্রহণ করছে। নতুন শিক্ষানীতিতে রাজ্যে মতামতের কোন গুরুত্ব থাকছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ইতিমধ্যেই  মেডিক্যালে  রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রাসের পরিবর্তে সর্বভারতীয় স্তরে NEET চালু করায় শিক্ষায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ বেড়েছে বলে মনে করেন অনেকে। সেই কেন্দ্রীয়ভবণ অারো বাড়ল না তো? অাশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই aisa সহ একাধিক বামপন্থী ছাত্রসংগঠন নয়া শিক্ষানীতিকে ছাত্র বিরোধী বলে সমালোচনা করে বাতিলের দাবি জানিয়েছে।