কেরেল সোনা পাচারের তদন্তে NIA, ফের দুর্নীতিতে নাম জড়াল পিনরাই বিজয়নের

0
22

রীতেন্দ্র রায়চৌধুরীঃ ফের বিতর্কে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন। এবার সোনা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছে তাঁর প্রধানসচিব কে শিবশঙ্করের। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী দফতরের ওই গুরুত্বপূর্ণ IAS অাধিকারিককে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেলেঙ্কারির তদন্তের ভার পেয়েছে NIA। কেন্দ্র সরকারের কাছে উপযুক্ত তদন্তের অার্জি জানিয়ে চিঠি লেখেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন। কংগ্রেসের তরফে সোনা পাচারে সিবিঅাই তদন্ত ও পিনরাই বিজয়নের পদত্যাগের দাবিতে কেরলের বিভিন্ন জায়গায় শুক্রবার বিক্ষোভ দেখান হয়। এই ইস্যুকে লঘু করে দেখে  সিপিএমকে সাহায্য করছে বিজেপি এমনটাই অভিযোগ কংগ্রেস নেতা মুলাপল্লি রামচন্দ্রন জানাচ্ছে নিউজ মিনিট পোর্টাল।

ঘটনার সূত্রপাত ৪ জুলাই। ওই দিন সংযুক্ত অারব অামিরশাহির ডিপলোম্যাটিক চ্যানেলের সুযোগ নিয়ে কেরলে ৩০ কেজি সোনা পাচার করায় নাম উঠে অাসে  স্বপ্না সুরেশ নামে দূতাবাসের প্রাক্তন এক কর্মীর। ও্ই মহিলা কর্মী অাবার রাজ্য সরকারের একটি সংস্থায় মুখ্যমন্ত্রীর সদ্য অপসারিত প্রধানসচিবের বদান্যতায় কর্মরত।সভাবতই নাম জরায় সিএমও -এর। কংগ্রেস অভিযোগ করে এই কেলেঙ্কারিক সঙ্গে জড়িত পিনরাই বিজয়নের দফতর।

কিন্ত এই প্রথম নয়। অার্থিক কেলেঙ্কারিতে এর অাগেও নাম জড়িয়েছিল  পিনরাই বিজয়নের। ১৯৯৭ সালে  কানাডার একটি সংস্থা লাভলিনকে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুত কেন্দ্রের অাধুনিকিকরণের জন্য  বরাত পাইযে দেওয়া সরকারি রাজস্বের ক্ষতি হয় ৮৬ কোট ২৫ লক্ষ টাকা। অন্তত সুপ্রিম কোর্টে এমনটাই অভিযোগ করেছিল সিবিঅাই। ১৯৯৭ সালে রাজ্যের বিদ্যুতমন্ত্রী ছিলেন পিনরাই বিজয়ন। যদিও অভিযোগ থেকে পিনরাইকে ২০১৭ সালে রেহাই দেয় কেরল হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় সিবিঅাই। মামলাটি এখনও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন।

 বাম সরকারের মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। পিনরাই বিজয়নের বিরুদ্ধে তো নয়ই। তবে এবার নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য অাগে থেকেই কেন্দ্রের কাছে তদন্তের অার্জি জানিয়েছেন পিনরাই। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে অাশা করা যায় সত্য উঠে অাসবে। তবে বর্তমান সরকারের কাছে তা অনেকে অাবার অাশা করেন না। তবে  সোনা পাচারের সঙ্গে জড়িত মহিলার সঙ্গে সিএমও দফতরের এর উচ্চ অাধিকারিকের নাম জড়ানোয় মুখ্যমন্ত্রীর  অস্বস্তি যে বাড়ল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।