টেস্টে জোর না দিয়ে সপ্তাহে দুদিন সার্বিক লকডাউনের ঘোষণার মানে কী?

0
47

সাতদিন ডেস্কঃ-রবিবারই রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা জানিয়েছিলেন করোনা পরিস্থিতি রাজ্যে তেমন কঠিন নয়।তবে রবিবারেই রাজ্যে দুহাজার সংক্রমণ ছাড়িয়েছিল একদিনে।তবু কেন পরিস্থিতি কঠিন নয় বলে রাজ্য প্রশাসনের পক্ষে মুখ্যসচিব বলেছিলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল সব স্তরে। তবে একদিন কাটতেই রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়ে দিলেন রাজ্যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে গোষ্ঠী সংক্রমণ হওয়ায়  এবার থেকে গোটা রাজ্যজুড়ে সপ্তাহে দুদিন সার্বিক লকডাউন রাখার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে রাজ্য সরকার। এ সপ্তাহে বৃহস্পতিবার ও শনিবার সার্বিক লকডাউন থাকবে। অাগের মত সম্পূর্ণ লকডাউনের নিয়ম পালন হবে ওই২ দিন।   ঐ ২দিন রাজ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান বাদে অন্য দোকান   বন্ধ থাকবে,  বন্ধ থাকহে সমস্ত পরিবহন ব্যবস্থা। জরুরি দরকার ছাড়া রাস্তায় বেরনো যাবে না ।  স্বরাষ্ট্র সচিবের ঘোষণায় পরিষ্কার রাজ্য সরকার করোনা সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন।প্রতি সপ্তাহের প্রথম দিন অর্থাত্ সোমবার নবান্ন থেকে ঘোষণা করে দেওয়া হবে সপ্তাহে কোন দুদিন রাজ্যে সার্বিক লকডাউন থাকবে।আপাতাত জানানো হয়েছে আগামী সপ্তাহে বুধবার লকডাউন থাকবে আর একটা দিনের কথা আগামী সোমবার জানানো হবে।জানানো হয়েছে জুলাই ও আগষ্ট মাস জুড়ে এই প্রক্রিয়াতে সার্বিক লকডাউন করা হবে।

টেস্ট না বাড়িয়ে লকডাউন করে করোনা সংক্রমণের ঠেকানো অাদৌ সম্ভব কিনা তা নিয়ে অাগেই প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকদের মতে রাজ্যে এখনই দিনে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টেস্ট করা উচিত।  হচ্ছে মাত্র সাড়ে ১৩ হাজারের কাছাকাছি। ইতিমধ্যেই পজিটিভিটি রেট পৌঁছেছে ১৭ শতাংশের কাছাকাছি।  সপ্তাহে যে কোন ২দিনের লকডাউন অাদৌ বিজ্ঞানসম্মত কিনা তানিয়েও অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।  এদিন স্বরাষ্ট্র সচিবত  অালাপন বন্দ্যেপাধ্যায় জানিয়েছেন  এই সিদ্ধান্ত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেই নিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে রবিবারের পর রাজ্য সরকার যে তাদের অবস্থান অনেকটা পাল্টালো তা পরিষ্কার।দিনে প্রায় দুহাজার তিনহাজার সংংক্রমণ রাজ্যে যে কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করছে,রাজ্যও যে ক্রমশ গোষ্ঠী সংক্রমণের পরিস্থিতি তৈরি হতে যাচ্ছে রাজ্য সরকারের সোমবারের ঘোষনায় তার ইঙ্গিত রয়েছে বলে অনেকেরই ধারনা।