দেশে এখন ১৪ থেকে ১৫ কোটি মানুষ করোনায় অাক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন দাবি বিজ্ঞানির

0
174

সাতদিনঃ চারপাশে বাড়ছে করোনা অাক্রান্তের সংখ্যা। অথচ কেন্দ্রীয সংস্থা ICMR জানাচ্ছে দেশে নাকি এখনও করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ হয়নি। অথচ তাদের করা সেরোলজিক্যাল সার্ভের ভিত্তিতে  শান্তিস্বরূপ ভাটনাগর পুরস্কার জয়ী বিজ্ঞানী শাহিদ জামিলেনর এক গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী দেশে এই মুহূর্তে করোনা অাক্রান্তের সংখ্যা ১৪ থেকে ১৫ কোটি। দ্য ওয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে জামিল জানিয়েছেন অাইসিএমঅার এর সেরোলজিক্যাল সার্ভের( দেশজুড়ে ৮৩টি জেলার ২৬৪০০ জন মানুষের মধ্যে টেস্ট করে) রিপোর্ট ১১জুন প্রকাশ করা হয়। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে দেখা যায় দেশের জনসংখ্যার ০.৭৩ শতাংশ অর্থাত্ প্রায় ১ কোটি মানুষ করোনায় অাক্রান্ত। ২০ দিনে অাক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুন হচ্ছে ধরলে বর্তমানে , ৭৫ দিন পর, দেশে ১৪ থেকে ১৫ কোটি মানুষ এখন করোনায় অাক্রান্ত বলে দাবি করেছেন জামিল। যদিও জামিল জানিয়েছেন এটা একটা গাণিতিক মডেলের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ অাক্রান্তের সংখ্যার অনুমান। নানা রকম ভাবেই এই অনুমান করা যায়।  বিভিন্ন পদ্ধতিতে দেশে বর্তমানে দেশে করোনা অাক্রান্তের সংখ্যা ভিন্ন হবে। ১ থেকে ৫ কোটিও হতে পারে সেক্ষেত্রে। তবে তা কোন ভাবেই সরকার যে হিসাব দিচ্ছে সেই ১০ লক্ষ নয়।

প্রতিদিন করোনা নিয়ে নিত্য নতুন তথ্য  সামনে উঠে অাসছে। কখনও কখনও তা বিভ্রান্তিকরও বটে। সেরকমই একটি হল ২৩৯ জন বিজ্ঞানির বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে লেখা চিঠি। যেখানে দাবি করা হয়েছে বাতাসে ছড়ায় করোনা। জামিল এক্ষেত্রে মনে করেন বিষয়টি নিয়ে অত্যধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাতাসে ছড়ালেও অনেকটা ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলেই তবেই করোনায় অাক্রান্ত হওয়ার অাশঙ্কা থাকছে। মাস্ক ব্যবহার করা এক্ষেত্রে যথেষ্ট বলে মনে করেন তিনি।

সরকারের তরফে এই বিষয় এখনও কোন প্রতিক্রিয়া মিডিয়াতে সামনে অাসেনি। তবে তাদের ক্ষেত্রে হয়তো বলা হবে এই সেরো সার্ভে করা হয়েছিল হটস্পট এলাকাগুলিত। ফলে এর ভিত্তিতে সাধারণ মূল্যায়নে অাসা সম্ভব নয়। সেটা হয়তো অাংশিক সত্যও। তবে দেশে যে করোনায় অাক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা কম দেখিয়ে সরকারের তরফে নিয়ন্ত্রণের দাবি করা হচ্ছে তা নিছকই অবাস্তব ও অসত্য। এটা নিশ্চিত।