বেসরকারি ল্যাবের দাবি দেশে ১৮ কোটি ব্যক্তি ইতিমধ্যেই করোনার অ্যান্টিবডির অধিকারি

0
173

সাতদিন ডেস্কঃ সরকারের অনুমোদন নিয়ে বেসরকারি ল্যাবে করোনার টেস্ট যারা করছে তাদের মধ্যে অন্যতম থাইরোকেয়ার। করোনার RTPCR এর পাশাপাশি করোনায় অাক্রান্ত হওয়ার পর অ্যান্টবডি তৈরি হয়েছে কিনা তার টেস্টও করছে এই ল্যাব।  থাইরোকেয়ারের ল্যাবের কর্ণধার  ভেলুমনি টুইট করে জানাচ্ছেন দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষ ইতিমধ্যেই করোনায় সংক্রামিত হয়ে সুস্থ হয়েছেন। সারা দেশে ৬০০ টি পিনকোডের ৬০ হাজার অ্যান্টিবডি টেস্ট করেছে থাইরোকেয়ার। এর মধ্যে  ৫৩০০০ হাজার পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে থাইরোকেয়ার। এই সংখ্যাক টেস্ট করার পর থাইরোকেয়ারের কর্ণধার জানিয়েছেন ১৫ শতাংশের মধ্যে অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যেই ৫৩ হাজারের যে রিপোর্ট থাইরোকেয়ার প্রকাশ্যে এনেছে তাতে দেখা যাচ্ছে সারা দেশে ২০০ এর বেশি পিনকোড রয়েছে। এই থেকে ভেলুমনি এ্ই সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছেন যে দেশের ১৫ শতাংশ মানুষ অর্থা্ত ১৮ কোটি জনগণ ইতিমধ্যে সংক্রামিত হয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ফলে তাদের রক্তে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গেছে। তারা তা জানেনও না।  ভ্যালুমনির মধ্যে পশ্চিমের দেশের তুলনায় ভারতীয়দের প্রতিরোধ শক্তি অনেকটই বেশি। ভারতে  ১০ হাজার জন অাক্রান্তের মধ্যে ১জনের মৃত্যু হচ্ছে। পশ্চিমি দেশে প্রতি ৫০০জন অাক্রান্ত পিছু মৃত্যু হচ্ছে ১ জনের।

অনেকেই বলতে পারেন এই অল্প সংখ্যক রিপোর্টের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া সঠিক হবে না। ভেলুমনি দাবি করেছেন ১৫ শতাংশ জনগণ ইতিমধ্যেই বিনামূল্যে করোনা প্রতিরোধের টিকা নিয়ে ফেলেছেন। ভ্যালুমনি তাঁর টুইটে জানাচ্ছে যে হারে দেশের জনগণ করোনায় স্বাভাবিকভাবে প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করছেন তাতে ২০২১ সালের মার্চের পর ভ্যাকসিনের তেমন কোন মূল্য এদেশে থাকবে বলে তিনি মনে করছেন না। অার তাই কি এদেশে তড়িঘড়ি ভ্যাকসিন অানার কথা বলছে ভ্যাকসিন নির্মাতা সংস্থাগুলি।

 সরকারি মতে দেশে প্রতিদিন ৫০ হাজার ব্যক্তি করোনায় অাক্রান্ত হলেও গোষ্ঠী সংক্রমণ মানতে নারাজ কেন্দ্র। থাইরোকেয়ারের এই রিপোর্টকেও পাত্তা দেবে বলে মনে হয় না। হয়তো জানাবে এত কম স্প্যাম্পেলের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় না।তবে এটা নিছকই কাকতালীয় যে দেশে করোনা পজিটিভিটির হার এখন ১৪-১৫ শতাংশতেই পৌঁছেছে।  তাই থাইরোকেয়ারের রিপোর্টকে মানলে  ভারত যে  ক্রমশ হার্ড ইম্যুউনিটির দিক যে এগোচ্ছে তা নিশ্চিত।