রাজ্যে শুরু রাপিড টেস্ট। অাক্রান্তের সংখ্যার হার কমিয়ে দেখানোর কৗেশল নয় তো?

0
43

সাতদিন ডেস্কঃ রাজ্যে করোনার কম টেস্ট করা হচ্ছে বলে দীর্ঘদিন থেকে বলে অাসছেন চিকিত্সকদের একাংশ। এবার টেস্টের সংখ্যা বাড়াতে তাই রাজ্যে চালু হচ্ছে  রাপিড টেস্ট। মিনিট তিরিশের মধ্যেই টেস্টের ফল জানা যায় এর মাধ্যমে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই টেস্টে ফলস টেগেটিভ হওয়ার সম্ভবনা থাকে বেশি। অর্থাত্ যারা এই টেস্টে পজিটিভি হলেন না তারা যে করোনায় অাক্রান্ত নন তা নাও হতে পারে। এই জন্য রাপিড টেস্টে পজিটিভ কেস কে অাক্রান্ত বলে ধরে নেওয়া হলেও নেগেটিভদের RTPCR টেস্ট করা উচিত বলে বিশেষজ্ঞদের মত। যদি তা অনেকক্ষেত্রেই করা হচ্ছে না।

রাজ্যে এখন প্রতিদিন গড়ে ১৬ থেকে ১৭ হাজার টেস্ট করা হচ্ছে। পজিটিভ হচ্ছেন ২২০০ এর মতন মানুষ।১৫ শতাংশের মত মানুষ পজিটিভ হচ্ছেন এখন। রেপিড টেস্টের ফলে মোট টেস্টের সংখ্যা বাড়লেও অাক্রান্তের সংখ্যা সেই অনুপাতে বাড়তে নাও পারে। এই কৌশলেই দিল্লিতে পজিটিভিটির হার এখন কমে ৬ শতাংশের কাছাকাছি দাঁড়িয়েছে। যে দিল্লিতে সেরো সার্ভেতে ২৩ শতাংশ মানুষ করোনায় অাক্রান্ত হয়েছেন বলে সমীক্ষা বলছে সেখানে দৈনিক পজিটিভিটির হার কমিয়ে দেখানোর  অভিযোগ উঠেছে দিল্লি সরকারের বিরুদ্ধে। এই বিষয়। হাইকোর্ট তিরস্কারও করেছে দিল্লি সরকারকে।

রাপিড অ্যান্টিডেন টেস্ট সার্ভেলেন্সের জন্য কনটেনমেন্ট জোনে করার কথা বলে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এটা কখনও ১০০ শতাংশ সঠিক নয়। বরং উল্টো। ভাইরাল লোড বেশি না থাকলে রেপিড টেস্টে করোনা অাক্রান্ত কি না তা ধরা পড়া কঠিন। তাই অারটিপিসিঅার এর পরিপূরক হিসাবে রাপিড টেস্টকে ব্যবহার করা হলে তা অাসলে পজিটিভ রোগীর সংখ্যা কমিয়ে দেখার কৌশল হতে পারে। দিল্লির পর এরাজ্যও সেই পথে হাঁটতে চাইছে না তো?

ছবি প্রতিনিধিত্বমূলক