১লাখ ও ৩২ হাজার টাকার দুটি ওষুধ করোনায় মৃত্যুর হার কমাচ্ছে না তবুও অনুমোদন কেন্দ্রের!!

0
144

সাতদিন ডেস্কঃ অাজব কথা। করোনা চিকিত্সায় ICMR এর অনুমোদিত ২টি দামি ওষুধ ইটোলিজুমাব ও টোসিলিজুমাবের প্রয়োগে  মৃত্যুর হার কমার কোন প্রমাণ এখন পাওয়া যায়নি। অন্তত এমনটাই জানিয়েছেন icmr এর ডিজি  বলরাম ভার্গব। দ্য হিন্দুর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী ভার্গব জানিয়েছেন ‘সাইটোকাইন ঝড়’ ঠেকাতে এই দুটি ওষুধ  কাজ করবে তবে মৃত্যুর হার কমার কোন প্রমাণ এখন নেই। প্রশ্ন উঠছে তাহলে ওই দামি ওষুধ দুটির করোনা চিকিত্সায় অনুমোদন দিল কেন ICMR?

 দুটি ওষুধের একটি তৈরি করে এদেশের ওষুধ কোম্পানি বায়োকনের তৈরি। ওষুধটির নাম ইটোলিজুমাব(itolizumab)।  অাগে চামড়ার  অসুখে ব্যবহার করা হত। করোনা চিকিত্সায় এখন একই ওষুধ ব্যবহার করে দেখা হবে।  কোর্সরে দাম ৩২ হাজার টাকা। অপরটির নাম টোসিলিজুমাব। এটি সুইডেনের একটি সংস্থা তৈরি করে। সিপলা অামদানি করে এদেশে বিক্রি করে। সাদা বাজারে এই ওষুধটির করোনা চিকিত্সায় কোর্সের দাম ৯০ হাজার টাকার মত(যদিও পাকিস্তানে ৩৮ হাজার টাকা), কালো বাজারে বিকোচ্ছিল দেড় লাখে।

এর  অাগে রেমডেসিভির এর অনুমোদন দেয় অাইসিএমঅার। মার্কিন সংস্থা গিলেডের ওই ওষুধও করোনা চিকিত্সার ওষুধ নয়। হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময় কমাতে পারে মাত্র। অর্থাত্ ওই ওষুধ প্রয়োগ করলে রোগী বাঁচবে এর কোন নিশ্চয়তা নেই , এমনিতে বেঁচে গেলে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার দিন কমবে মাত্র কয়েকদিন। এর জন্য  ওষুধটির জন্য রোগীর পরিবারকে খরচ করতে হবে ৩০ হাজার টাকার মত।

 করোনায় প্রতিদিন বাড়ছে অাক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। বাড়ছে অাতঙ্ক। অার এই সুযোগ পুরনো কিছু দামি ওষুধ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ছাড়াই করোনা চিকিত্সায় বাজারে ছাড়া হচ্ছে। সরকার অনুমোদনও দিচ্ছে। যদিও এগুলো কোনটাই করোনার ওষুধ নয়। রিপার্পাস ড্রাগ। মানে নতুন কারণে ব্যবহার করা হচ্ছে। একথায় রোগীদের ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালাচ্ছে ওষুধ সংস্থাগুলি। অথচ চড়া দাম দিয়ে ওষুধ কিনতে হচ্ছে রোগীদেরই। সত্যি অসহায় রোগী ও রোগীর পরিবার। অার পঙ্গু সরকারের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।