ডিসানের মালিকের গ্রেপ্তারের দাবিতে পথে নামলো APDR

0
64

সাতদিন ডেস্কঃ- ডিসানের মালিককে গ্রেফতারের দাবিতে এবার পথে নামল মানবাধিকার সংগঠন এপিডিঅার। সোমবার সকালে ডিসানের সামনে বাইপাসের রুবি মোড়ে বিক্ষোভ দেখান এপিডিঅার এর কর্মীরা। যেখানে প্রতিষ্ঠিত দল ও সংগঠনগুলো এর বিরুদ্ধে তেমন কোন প্রতিবাদ না জানালেও করোনা অাবহে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে মানবাধিকার সংগঠনটির বেশ কিছু সমর্থক এদিন বিক্ষোভ দেখান।

দাবিমত টাকা জমা দিতে না পারায় যে ভাবে এক রোগীকে দীর্ঘ সময় বাইরে রেখে চিকিতসা শুরু না করে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে দিয়েছে বেসরকারি হাসপাতাল ডিসানের কর্তৃপক্ষ তাতে তাদের মালিককে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে সোচ্চার হল মানবাধিকার সংগঠন এপিডিআর।এপিডিআর গত কয়েকমাস ধরেই দাবি করে আসছে দুনিয়া জোড়া এই করোনা মহামারির  চিকিত্সার যাবতীয় ব্যয়ভার সরকারকেই বহন করতে হবে।আর এখন বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে যে ভাবে মাত্রাতিরিক্ত বিল করে মানুষকে হয়রান করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধেও সোচ্চার প্রতিবাদে এগিয়ে এসেছে এপিডিআর।ডিসানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তাতে সরকার ইতিমধ্যেই বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে এবং স্বতঃপ্রণোদিত মামলাও রজু হয়েছে ডিসান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।তবে সরাসরি মালিককে গ্রেপ্তারের দাবিতে এপিডিআরই প্রথম সোচ্চার হল।এই দাবি নিয়ে এপিডিআরের একাধিক জেলা সংগঠন পোষ্টার ছাপিয়ে প্রচার অভিযানও শুরু করে দিয়েছে।পোষ্টারে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে রোগ নিরাময়ের স্থানের বদলে কসাইখানা বলে অবিহিত করা হয়েছে।কসাইখানার ব্যবসা রুখতে সরকারের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন মানবাধিকার আন্দোলনের কর্মীরা।

রাজ্য এপিডিআরের অন্যতম সদস্য রঞ্জিত শূর এ বিষয়ে বলেন,”ডিসানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা মারাত্মক,আমরা মনে করি একজন মানুষকে চিকিত্সার সুযোগ না দিয়ে যে ভাবে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে দেওয়া হল তাতে মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে যে মানুষটিকে খুন করা হয়েছে,আর এই খুনের দায়ে ডিসানের মালিককে গ্রেপ্তারের দাবি করছি আমরা।”রঞ্জিতবাবুর স্পষ্ট অভিযোগ বেসরকারি নার্সিংহোমগুলি একত্রিত হয়ে সংগঠন তৈরি করেছে,যা আসলে স্বাস্থ্য-ব্যবসার একটা সিন্ডিকেট সেই সিন্ডিকেটই একত্রিত হয়ে সাধারণ মানুষকে লুট করে যাচ্ছে।এ বিষয়ে সরকারের নীরবতা নিয়েও কটাক্ষ করেন মানবাধিকার আন্দোলনের পরিচিত মুখ রঞ্জিত শূর।সাধারণ মানুষ সচেতন হয়ে সম্মিলিতভাবে প্রতিবাদে না নামলে স্বাস্থ্য-ব্যবসা যে আর ভয়াবহ হয়ে উঠবে সে কথা মনে করিয়ে দিতে চাইছেন রাজ্যের মানবাধিকার আন্দোলনের কর্মীরা।