রেমডেসিভির দাম কেউ নিচ্ছে ৫০০০ কেউ ২৮০০ সরকার! শুধুই দর্শক

0
33

সাতদিন ডেস্কঃ করোনা চিকিত্সায় নির্দিষ্ট কোন ওষুধ না থাকলে বহুজাতিক কোম্পানিগুলি ও এদেশে তাঁদের দোসর সংস্থাগুলি করোনা চিকিত্সায় নানা দামি ওষুধ বাজারে ছেড়ে দিয়েছে। এদের মধ্যে একটি অতিপরিচিত রেমডেসিভির। মাস খানেক অাগে এদেশের বাজারে প্রথম জেনেরিক রেমডেসিভির ওষুধটি নিয়ে অাসে হেটেরো নামের একটি ভারতীয় ওষুধ সংস্থা। প্রতি ডোজের দাম ৫৪০০ টাকা। পুরো কোর্সের দাম প্রায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা। এর পর সিপলাও নিয়ে অাসে ওই ওষুধ। এবার এদের মধ্যে সব থেকে  কম দামে ২৮০০ টাকা প্রতি ডোজ, রেমডেসিভির অানল ক্যাডিলা। ভারতের বাজারে রামডাক নামের এই ওষুধটি খুব তাড়াতাড়ি পাওয়া যাবে  বলে জানিয়েছে ওষুধ সংস্থা। কিন্তু কেন দামের এত ফারাক?

  অথচ কিছুদিন অাগে ভারতীয় কোম্পানিরা প্রায় এর দ্বিগুন দামে ওষুধটি এদের বাজারে বিক্রি করতে শুরু করে। মার্কিন সংস্থা গিলেডের সঙ্গে চুক্তি করে এদেশে রেমডেসিভির তৈরি করছে একাধিক ভারতীয় কোম্পানি। অথচ চড়া দামে প্রথমে হেটরো বাজারে অানলেও সরকার সব জেনেশুনে চুপ করে বসেছিল। এখানেই শেষ নয়  কিছুদিন অাগে চাহিদা বেশি হওয়ায় রেমডেসেভিরর কালোবাজারে  বিক্রি হয়েছে এর ১০গুন দামে। প্রায় ৫০ হাজার টাকায়। অনেকে মনে করেন নামি কোম্পানির ওষুধ মানেই ভাল মানের। তাহলে একাধিক বড় কোম্পানির ওষুধের দামে এত ফারাক হল  কি করে? অাসলে ওষুধ কোম্পানিগুলি এদেশের গরীব মধ্যবিত্তদের থেকে লুট করছে। তাতে সহযোগিতা করছে বেসরকারি হাসপাতাল ও চিকিত্সকদের একটা বড় অংশ। হয়তো রেমডেসিভিরের দাম অারো কমে  যেতে পারে কিছু দিনের মধ্যে। অাসল কথা ওষুধটির দাম নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সরকার কোন ভূমিকা রাখতে চায়নি। তাই যা খুশি দাম নিয়েছে ওষুধ কোম্পানিগুলি।

দেশে করোনা অতিমারির সময়ও অতি মুনাফা লুটছে বেসরকারি হাসপাতাল ও ওষুধ কোম্পানিগুলি। করোনার নামে পুরনো ওষুধগুলিকে এদেশের বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে। চিকিত্সক সমাজ থেকে কোন প্রতিবাদ লক্ষ করা যাচ্ছে না। বরং পরোক্ষে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে এই বলে যে তবুও কিছু ওষুধ হাতে এলো করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য। যুদ্ধই বটে তবে করোনার বিরুদ্ধে নয় ভারতের ৯০ শতাংশ জনগনের বিরুদ্ধে।