শহরে কীভাবে চলতে পারে জাল কোভিড টেস্টের চক্র?গ্রেফতার ৩

0
33

সাতদিন ডেস্কঃ জাল কোভিড টেস্ট চক্র চালানোর অভিযোগে ৩জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিস। এদের মধ্যে রয়েছেন ২ ভাই যারা সরকারি হাসপাতালের ল্যাবে অস্থায়ী কর্মী হিসাবে কাজ করতেন। গ্রেফতার হওয়া ইন্দ্রজিত্ শিকদার ও বিশ্বজিত্ শিকদার সম্পর্কে দুই ভাই। গ্রেফতার করা হয়েছে । অনিত পাইরা নামের এক ল্যাবের মালিককেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

রাজ্যে কোভিডের চিকিত্সার নিয়ে সরকার যাই দাবি করুক না কেন রোগীদের হয়রানি কমছে না। তা টেস্ট থেকে শুরু করে হাসপাতালের বেড ও অ্যাম্বুলেন্স সর্বত্রই একই ছবি। বেসরকারি ল্যাবে করোনা  RTPCR টেস্টের দাম সরকারের তরফে ২২৫০ টাকা বেঁধে দিলেও অনেক ল্যাবই তা মানছে না। নানা অজুহাতেই ৩০০০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে কেউ কেউ। কী করে সরকারের নির্দেশ অমান্য করছে তা স্পষ্ট নয়। কোন সাহসে কে বা কারা জাল কোভিড টেস্টের চক্র চালাতে পারে? শুধু কি এই ৩জন নাকি এর পিছনে রয়েছে কোন বড় মাথা? দিল্লি মহারাষ্ট্র সরকার পারলেও কেন রাজ্য সরকার এখন বেসরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিত্সার খরচ বেঁধে দিচ্ছে না? অার কত পরিবার সর্বস্বান্ত হলে সরকার সক্রিয় হবে এই ক্ষেত্রে?

জনৈক ব্যাঙ্ক কর্মীর কোভিডে মৃত্যু হওয়ার পর জাল চক্র সামনে অাসে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ তাঁদের বাড়ি থেকে এসে ল্যাবের কর্মী  রোগীর সোয়াব নিয়ে যায়। পরে তাদের রিপোর্ট দেয় রোগী নেগেটিভ। এর পর রোগীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে জানা যায় রিপোর্টটি জাল। ব্যাঙ্ক ম্যানেজার হাসপাতালে গত বৃহষ্পতিবার মারা যান। এর পর পুলিসের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিস ৩জনকে গ্রেফতার করেছে।