শুধু PPE র দাম নয় ,বেঁধে দিয়ে হবে করোনা চিকিত্সায় বেসরকারি হাসপাতালের চার্জও

0
211

সাতদিন ডেস্কঃ রাজ্যে বেসরকারি হাসপাতালগুলো করেনার নাম লুট চালাচ্ছে। রাজ্য সরকার নীরব। এরই মধ্যে রাজ্যের স্বাস্থ্য কমিশন একটি অ্যাডভাইসরি জারি করে বলেছে কোন বেসরকারি হাসপাতাল রোগীর কাছ থেকে  প্রতিদিন PPE বাবদ একহাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না। করোনার RTPCR টেস্টের জন্য সরকার নির্দিষ্ট ২২৫০ টাকার বেশি রোগীর থেকে নেওয়া যাবে না। অাউটডোরে করনো সুরক্ষার জন্য ৫০ টাকার বেশি নিতে পারবে না ল্যাব বা বেসরকারি হাসপাতালগুলি। বাড়ি থেকে গিয়ে করোনার টেস্টের স্যাম্পেল নিয়ে এলে প্রতি কিমি ১০ টাকার বেশি চার্জ করা যাবে না বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য কমিশন।

 প্রশ্ন উঠছে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরও কোন সাহসে টেস্টের নামে ল্যাবগুলি ৩০০০ টাকার বেশি চার্জ করছিল। প্রশাসন কি জেগে ঘুমোচ্ছে! তাছাড়া কী করে করোনা চিকিত্সার নামে বেসরকারি হাসপাতাল গুলি ১০ ১২ বা ১৪ লক্ষ টাকার বিল ধরাচ্ছে রোগীর পরিবারকে। মহারাষ্ট্র বা দিল্লি যদি বেসরকারি হাসপাতালের চার্জ বেঁধে দিতে পারে তাহলে এরাজ্যের সরকার কেন  তা পারছে না?

 এরাজ্যে করোনা চিকিত্সার নামে বেসরকারি হাসপাতলগুলির বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকার বিল করার অভিযোগ উঠলেও এখনও পর্যন্ত বেসরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিত্সার চার্জ বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই নি রাজ্য সরকার। অথচ অনেক অাগেই মহারাষ্ট্র ও দিল্লি সহ একাধিক রাজ্য করোনা চিকিত্সায় বেসরকারি হাসপাতালের চার্জ নির্দিষ্ট করে দিয়েছে।  মহারাষ্ট্র সরকার তো অাবার ৩১ অগস্ট পর্যন্ত সে রাজ্যের বেসরকারি হাসপাতালের ৮০ শতাংশ শয্যার নিয়ন্ত্রণ  নিয়েছে। বাকি ২০ শতাংশ বেডের দাম হাসপাতাল ঠিক করতে পারবে।এর মাধ্যমে ৮০ শতাংশ  বেডের ব্যবহার ও চার্জ নিয়ন্ত্রণ করবে রাজ্য সরকার।   অাইসোলেশন বেডের জন্য সর্বোচ্চ ৪ হাজার টাকা, icuএ বেডের জন্য ৭৫০০ টাকা ও ভেন্টিলেটর সহ বেডের জন্য সর্বোচ্চ ৯ হাজার টাকা নিতে পারবে বেসরকারি  হাসপাতালগুলি। দিল্লি সরকারও করোনা চিকিত্সায় দাম বেঁধে দিয়েছে। দিল্লিতে বেসরকারি হাসপাতালের ৬০ শতাংশ  বেডে করোনা চিকিত্সার জন্য দাম নির্দিষ্ট করা হয়েছে। অাইসোলেশন বেডের জন্য ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। ICU বেডের জন্য ১৫ হাজার টাকা ও ভেন্টিলেটর সহ অাইসিইউ বেডে সর্বোচ্চ দিনে ১৮ হাজার টাকা । দিল্লি  বা মহারাষ্ট্র যা পারে তা অামাদের রাজ্যের সরকার পারছে না কেন? নাকি চাইছে না!