সরকারি হাসপাতালে অাস্থা নেই নেতা মন্ত্রীদেরই

0
41

সাতদিন ডেস্কঃ দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার এক সময সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দিল্লির হাসপাতালে বাইরের রাজ্যের করোনা রোগীদের ভর্তি করা হবে না। কেন্দ্রের সরকার কেজরিওয়ালের এই সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিয়েছিল। সেই সময় এনঅাইএকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন তিনি তো দিল্লির নন, তাঁর করোনা হলে তিনি কোথায় যাবেন। তাই কেন্দ্র অাপ সরকারের এই সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিয়েছে।

অমিত শাহের করোনা হয়েছে। তিনি ভর্তি হয়েছেন গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালে। সেটা দিল্লিরও নয়। সরকারিতো নয়ই। শুধু অমিত শাহ নন, দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভর্তি হয়েছিলেন দিল্লির বেসরকারি হাসপাতাল ম্যাক্সে। মেদান্তে ভর্তি রয়েছেন করোনা অাক্রান্ত কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও।দিল্লিতে এইমস থাকতে এরা সব ভর্তি হয়েছেন বেসরকারি হাসপাতালে।

শুধু এরা নন সব রাজ্যেই ভিঅাইপিরা ভর্তি রয়েছেন বেসরকারি হাসপাতালে। করোনায় অাক্রান্ত হয়ে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পা ভর্তি রয়েছেন মানিপাল হাসপাতালে। সেখানেই ভর্তি রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। তালিকা বাড়িয়ে লাভ নেই। অাসলে সরকারের তৈরি হাসপাতালে অাস্থা নেই সরকারের মন্ত্রী বা রাজনৈতিক দলের নেতাদের। এরাজ্যেও একাধিক করোনা অাক্রান্ত শাসকদলের নেতা ভর্তি ছিলেন বা ভর্তি অাছেন বেসরকারি হাসপাতালে। বাদ নেই  বিরোধীদলের নেতারাও। সরকারি হাসপাতালের বেড শুধুমাত্র জনগণের জন্য, অার ভিঅাইপিদের কুকুরদের জন্য!