কোরানা রুখতে হার্ড ইমিউনিটির ওপর ভরসা রাখতে চাইছেন চিকিত্সকদের অনেকেই

0
43

সাতদিন ডেস্কঃ প্রতিদিনই কোভিড অাক্রান্তের সংখ্যা নতুন রেকর্ড করছে। সরকারিমতে  কোভিড অাক্রান্তের সংখ্যা ৭৫ হাজার ছাড়িয়েছে।মৃতের সংখ্যা দৈনিক ১১০০ ছাড়িয়েছে।  বেসরকারি মতে অাক্রান্ত ও মৃতের  সংখ্যা সরকারি পরিসংখ্যানের এর কয়েকগুন। ট্রায়াল শেষ করার অাগেই উত্পাদন শুরু হয়েছে ভ্যাকসিনের। তাই প্রশ্ন উঠেছে জনস্বাস্থ্য না মুনাফা কোনটা অগ্রাধিকার পাচ্ছে ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে। এই প্রেক্ষিতে হার্ড ইমিউনিটিতে ভরসা রাখতে চাইছেন চিকিত্সকদের একাংশ।

জনসংখ্যার ঠিক কত সংখ্যক মানুষ অাক্রান্ত হলে হার্ড ইমিউনিটি হতে পারে তা নিয়ে বিজ্ঞানিদের মধ্যে মত পার্থক্য অাছে। কেউ মনে করেন ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষ কোভিডে অাক্রান্ত হল হার্ড ইমিউনিটি সম্ভব। অন্যদিকে ব্রিটেনর প্রখ্যাত চিকিত্সক রাজভোপাল একটি টেলিভিশন  সাক্ষাত্কারে  জানিয়েছেন তাঁর মতে জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষ যদি কোভিডে অাক্রান্ত হন তাহলেই হার্ড ইমিউনিটি সম্ভব। রাজভোপালের মতে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে হার্ড ইমিউনিটির শতাংশ বিভিন্ন রকম। হামের ক্ষেত্রে যা , তত নয় কোভিডের ক্ষেত্রে। কারণ কোভিডে সংক্রমণের গুনিতক হামের থেকে কম।

ভ্যাকসিন  নিয়ে যা চলছে তাতে তার ওপর অাস্থা অনেকেই রাখতে পারছেন না। খোদ অামেরিকাতে ২০ শতাংশ জনগণ জানিয়েছেন তাঁরা ভ্যাকসিন নেবেন না। সত্যি কি ভ্যাকসিন এই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য এত তাড়াহুড়ো করে তৈরি করা হচ্ছে নাকি এর পিছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রশ্নটা উঠছেই।