NEET JEE নিয়ে ৭ রাজ্যের অার্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

0
14

সাতদিন ডেস্কঃ করোনা অাবহে NEET JEE স্থগিতের অার্জি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। অাগেই পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ অাদালত নির্দেশ দিয়েছিল, সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সহ ৭ রাজ্য।৩ সদ্যদের বিচারপতিদের বেঞ্চ জানিয়েছে রিভিউ পিটিশনে কোন মেরিট না থাকায় তাকে তারা খারিজ করছে।  ইতিমধ্যেই JEEএর পরীক্ষা ২দিন নেওয়া হয়ে গেছে। সেখানে বহু ছাত্রছাত্রী উপস্থিত হতে পারেনি। তাই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

করোনা অাবহের মধ্যেই সর্বভারতীয় স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষা JEE শুরু হয়েছে। ১৩ তারিখ হবে NEET। সু্প্রিম কোর্ট যেভাবে কেন্দ্রের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিচ্ছে  তাতে এক্ষেত্রে অন্য কিছু অাশার ছিল না কিন্তু প্রশ্ন উঠছে করোনা অাবহে কেন্দ্র কেন  এই পরীক্ষা নেওয়ার জন্য জেদ ধরেছে?

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী  রমেশ পখরিয়াল  মিডিয়ার সামনে বলেছেন অভিভাবকদের তরফ থেকে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য চাপ অাসছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ওকালতি করা শিক্ষাবিদদের যুক্তি এখন পরীক্ষা না নিলে একটি শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে যাবে, তাতে করে পরেরর বছরের একই সংখ্যক অাসনের জন্য পরীক্ষার্থী সংখ্যা দ্বিগুন হয়ে যাবে। অাখেরে ক্ষতি হবে পড়ুয়াদেরই।

সত্যি কি শুধু তাই? নাকি যেন তেন প্রকারেন করোনা অাবহে পরীক্ষা নেওয়ার পিছনে রয়েছে এডুকেশন লবি বা মাফিয়াদের চাপ? প্রবেশিকাকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতির নামে নানা বড় বড় সংস্থার ব্যবসা চলে। যদি কোন কারণে একটি বছর পরীক্ষা না  নেওয়া হয় তাহলে পরের বছর সেই সংখ্যক পড়ুয়া ভর্তি নাও হতে পারে।বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে লক্ষ লক্ষ টাকা ডোনেশন নিয়ে যে যাদের প্রতি বছর ভর্তি করা হয় তাদের তাহলে এবছর ভর্তি করা যাবে না। ফলে সেখানেও কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হবে এসব বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ গুলির।

তাই করোনা অাবহে NEET JEE নেওয়ার পিছনে অভিভাবকদের চাপ বা পড়ুয়াদের কেরিয়ার নষ্ট হওয়ার যুক্তি নিতান্তই ছেঁদো। এর পিছনে বাণিজ্যিক চাপটাই অাসল বলে মনে করছেন অনেকে। সুপার ৩০ এর জনক অানন্দকুমার মনে করেন কোন একটা বছর নষ্ট হলে কিছু এসে যায় না, জীবন অনেক বেশি মূল্যবান। তাছাড়া একদিনের পরীক্ষা নয় জীবনে প্রতিদিন নানা পরীক্ষার মুখোমুখি  হতে হবে, তার জন্য তৈরি থাকতে হবে অামাদের।