কালোবাজারে বিক্রি হওয়া রেমডেসেভির কোভিডে কাজে অাসছে না জানাল WHO

0
5

সাতদিন ডেস্কঃ করোনা চিকিত্সায় নির্দিষ্ট কোন ওষুধ না থাকলে বহুজাতিক কোম্পানিগুলি ও এদেশে তাঁদের দোসর সংস্থাগুলি করোনা চিকিত্সায় নানা দামি ওষুধ বাজারে ছেড়ে দিয়েছে। এদের মধ্যে একটি অতিপরিচিত রেমডেসেভির। অ্যান্টি ভাইরাল এই ওষুধটি ভারত সহ নানা দেশে করোনার চিকিত্সায় ব্যবহার করা হচ্ছে। বৃহষ্পতিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে রেমডেসেভিরের ব্যবহারের ফলে করোনা অাক্রান্তের হসপাতালে থাকার সময় কম করা বা মৃত্যু হার কমার কোন প্রমাণ মেলেনি। who পরিচালিত একাধিক দেশের  এক ট্রায়ালের পর  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই পর্যবেক্ষণ  জানিয়েছে।

 কয়েক মাস অাগে এদেশের বাজারে প্রথম জেনেরিক রেমডেসিভির ওষুধটি নিয়ে অাসে হেটেরো নামের একটি ভারতীয় ওষুধ সংস্থা। প্রতি ডোজের দাম ৫৪০০ টাকা। পুরো কোর্সের দাম প্রায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা। এর পর সিপলাও নিয়ে অাসে ওই ওষুধ। এবার এদের মধ্যে সব থেকে  কম দামে ২৮০০ টাকা প্রতি ডোজ, রেমডেসিভির অানে ক্যাডিলা।

  রেমডেসেভিরের দাম শুধু  অস্বাভাবিকই ছিল না  প্রথম দিকে তা কালোবাজারে  বিক্রি হয়েছে এর ১০গুন দামে। প্রায় ৫০ হাজার টাকায়।

দেশে করোনা অতিমারির সময়ও অতি মুনাফা লুটছে বেসরকারি হাসপাতাল ও ওষুধ কোম্পানিগুলি। করোনার নামে অন্য রোগের চিকিত্সায় ব্যবহৃত ওষুধগুলিকে এদেশের বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে। অার এখন জানা যাচ্ছে কোভিড অাক্রান্তদের দেওয়া এই ওষুধ কোন কাজেই অাসেনি অাদৌ। এই মুনাফাখোরির বিরুদ্ধে সরকার তো দূরের কথা চিকিত্সক সমাজ থেকে কোন প্রতিবাদ লক্ষ করা যাচ্ছে না। বরং পরোক্ষে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে । বলা হচ্ছে যে তবুও কিছু ওষুধ হাতে এলো করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য। যুদ্ধই বটে তবে করোনার বিরুদ্ধে নয় ভারতের ৯০ শতাংশ জনগনের বিরুদ্ধে।