সিরামের কোভিড ভ্যাকসিনের দাম ৫০০-৬০০টাকা, বাজারে অাসবে মার্চ-এপ্রিলে

0
34

সাতদিন ডেস্কঃ মানব শরীরে করোনার প্রতিষেধক ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের চূড়ান্ত ফলের অপেক্ষায় দুনিয়া। এরই মধ্যে ভারতে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনিকার কোভিডের প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন উত্পাদন শুরু করে দিয়েছে সিরাম ইনস্টিটিউট।  সিরামের কর্ণধার অাদর পুনাওয়ালা বৃহষ্পতিবার এইচটি লিডারসিপ সামিটে জানিয়েছেন খুব দ্রুত তারা ভারতে জরুরি ভিত্তিতে ভ্যাকসিন প্রয়োগের জন্য অনুমতি চাইবেন সরকারের কাছে। অার ২০২১ এর শুরুতেই হয়তো তাদের দেওয়া হতে স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রবীণদেরকে। অামজনতার জন্য তা বাজারে অাসতে ২০২১ এর মার্চ এপ্রিল হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন পুনাওয়লা। সিরাম কর্ণধার জানিয়েছেন বাজারে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় মিলবে এই ভ্যাকসিনের প্রতিটি ডোজ। তবে সরকারকে ২২৫ -৩০০ টাকার মধ্যে ভ্যাকসিন বিক্রি করবে তারা। মনে করা হচ্ছে ২টি করে ভ্যাকসিনের ডোজ নিতে হবে প্রতিটি ব্যক্তিকে।

কিছুদিন অাগে এক টুইট করে অাদর পুনাওয়ালা জানতে চেয়েছিলেন  সকল ভারতবাসীকে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য অাগামী বছর যে ৮০ হাজার কোটি টাকা লাগবে তা ভারত সরকারের কাছে অাছে কিনা?

পুনাওয়ালের এই টুইটের পর এদেশে ভ্যাকসিনের বাজার কতটা তার অান্দাজ পাওয়া যায়। এর অাগে পুনাওয়ালা জানিয়েছিলেন সমস্ত ভারতবাসীকে ভ্যাকসিন দিতে অন্তত ২ বছর সময় লাগবে। টুইট থেকে এটা স্পষ্ট নয় প্রতিবছর এই খরচ হবে নাকি এক বছরেই সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হবে। হিউম্যান ট্রায়ালের চূড়ান্ত সফলতার অাগেই এদেশে তাঁদের সংস্থায় অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনিকার ভ্যাকসিন উত্পাদন শুরু করে দিয়েছে সিরাম।

 কোভিডকে কেন্দ্র করে ভ্যাকসিনের বাজার এখন গরম। বাজারে রয়েছে মার্কিন, জার্মানি, ব্রিটিশ সংস্থার পাশাপাশি ভারতের বেশ কয়েকটি সংস্থাও। কোভিডের ভ্যাকসিনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন না তুলেও বলা যায় এর  ১ শতাংশ  তত্পরতা যদি ক্যানসার বা টিবি নিয়ন্ত্রণ বা চিকিত্সায় দেখা যেত তাহলে প্রতি বছর বাঁচতো লক্ষ লক্ষ প্রাণ। সরকারের উদাসীনতার সঙ্গে চিকিত্সক সমাজের নীরবতা যথেষ্ট উদ্বেগের।